লামায় জীনামেজু উচ্চ বিদ্যালয় উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার


admin প্রকাশের সময় : মে ৩০, ২০২৩, ৯:০৫ পূর্বাহ্ন /
লামায় জীনামেজু উচ্চ বিদ্যালয় উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার
প্রিন্ট করুন

লামার আলো ডেস্ক:-

বান্দরবানের লামা ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে বনপুর গ্রামে জীনামেজু উচ্চ বিদ্যালয় উদ্বোধন করেন, লেঃকর্ণেল মোঃ সাব্বির হাসান পিএসসি। ২৮ মে (রোববার) দুপুরে বিদ্যালয় উদ্বোধনকালে আলীকদম জোন কমানডার
লেঃকর্ণেল মোঃ সাব্বির হাসান পিএসসি বলেন,
শিক্ষা মানুষকে সত্যিকার মানুষ রুপে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এসময় জোনাল স্টাফ অফিসার, ক্যাপ্টেন আজিজুল হাকিম প্রিন্স, ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল হোছাইন চৌধুরী, জীনামেজু অনাথ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা নন্দ মালা ভিক্ষু, ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন, নব প্রতিষ্ঠিত জীনামেজু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, বদুর আলম সাঙ্গু মৌজা হেডম্যান চংপাত মুরুং, ইউপি সদস্য মংমিগ্য মার্মা ও স্থানীয় গন্যমান্য বক্তিরাসহ ছাত্রছাত্রী, অভি়ভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লে: কর্ণেল মো: সাব্বির হাসান পিএসসি বলেন, জাতী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে পার্বত্য চট্টগ্রামে জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মৈত্রীময় সম্পর্ক সুদৃড় ধারা অব্যহত রাখতে বাংলদেশ সেনাবাহিনী নানামুখী কাজ করে যাচ্ছে। দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে সাধারণ জনগণের বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক ও বিশ্বস্ততা তৈরী হয়েছে। ইতিপূর্বে এই দুর্গম গ্রামে শিক্ষা প্রসারে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন, ভূতপূর্ব আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মাহবুবুর রহমান, পিএসসি (অধিনায়ক ১৮ ইবিআর)। এর পর থেকে নন্দন মালা ভান্তে এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কর্ণেল সাব্বির বলেন, জনগোষ্ঠীর সন্তানদের আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে আলীকদম জোনের সার্বিক তত্বাবধানে এই স্কুলটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। একটি জাতির বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য শিক্ষার ভূমিকা অপরিহার্য।তিনি আরও বলেন নিরক্ষরতা সমাজের শত্রু, দেশের শত্রু, জাতির শত্রু। দেশ মাতৃকার উন্নতির জন্যেই সর্বাগ্রে প্রয়োজন প্রজন্মকে শিক্ষিত করে তোলা। এই নতুন স্কুলটিতে অত্র এলাকার সকল ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়ে থাকবে। প্রসঙ্গ টেনে জোন কমান্ডার বলেন, আলীকদম জোন প্রতি মাসে আলীকদম এবং লামা উপজেলায় বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা, স্কুল, কলেজ সহ সর্বমোট ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক শিক্ষিকা, গরীব ও দুঃস্থ পরিবার, এবং আলীকদম মুরং কমপ্লেক্স ছাত্র ছাত্রীদের খাবার বিল বাবদ অনুদান প্রদান করে আসছে। হালনাগাদ আলীকদম জোনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তত্ত্বাবধানে আলীকদম ও লামা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মৈত্রী ও প্রত্যয়ী স্কুলসহ ১৫ টির অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিমার্ণ করা হয়েছে। সেই সাথে আলীকদম জোনের আওতাধীন সকল ক্যাম্পগুলোতেও অসহায়দের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও উন্নয়ন মূলক কাজ এবং দুঃস্থদের চিকিৎসার্থে মেডিকেল ক্যাম্প এর মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বক্তব্য শেষে আলীকদম জোনের পক্ষ হতে বিদ্যালয়ে দশ হাজার টাকা নগদ অনুদান একই সময় স্থানীয় প্রান্তিক এক অসুস্থ্য ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য দুই হাজার টাকা প্রদান করেন।