বান্দরবান জেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান লামার কৃতি সন্তান বিএনপি নেতা ‘থোয়াইনু অং চৌধুরী’


admin প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ন /
বান্দরবান জেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান লামার কৃতি সন্তান বিএনপি নেতা ‘থোয়াইনু অং চৌধুরী’
প্রিন্ট করুন

লামার আলো ডেস্ক:-

বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে হবেন(?) নিশ্চয় ক্লিন ইমেজের কোনো বিএনপি নেতা। সেই জায়গা থেকে এবার হয়তো দক্ষিণ বান্দরবানের মানুষের প্রত্যাশার প্রাপ্তি ঘটবে।

 

লামা উপজেলা বিএনপি নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরীকে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লামাবাসী। তিঁনি ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন, শিক্ষিত, মার্জিত, সত দক্ষ ও দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের আস্থাভাজন।

১৯৮৯ সালে জেনারেল এরশাদ সরকার বিগত
বিশেষ আইনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলায় এই পরিষদগুলো (তৎকালীন পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ নামে) প্রথম গঠিত হয়েছিলো।

পার্বত্য বান্দরবান স্থনীয় সরকার পরিষদ এর প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। যিঁনি বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হয়েছেন এবং সম্ভাব্য মন্ত্রী ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়’।

সাচিং প্রু জেরীর বাবা বোমাং সার্কেলের ১৫ তম রাজা প্রয়াত অং শৈ প্রু চৌধুরী। তিঁনি রাষ্টপ্রতি জিয়া উর রহমান এঁর আমলে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সময়ের পথ ধরে আজ প্রয়াত রাজা অং শৈ প্রু চৌধুরী সুযোগ্য ছেলে বান্দরবানের সাংসদ সাচিংপ্রু জেরী; তারেক জিয়া সরকারের সম্ভাব্য ক্যাবিনেট মেম্বার। অন্যদিকে থোয়াইনু অং চৌধুরী বিএনপি তথা সাচিংপ্রু জেরীর দীর্ঘদিনের স্নেহভাজন, বিশ্বস্ত ও রাজপথের সারথি।

বিগত ২০১৪ সালে লামা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা মোঃ ইসমাইলকে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে ৪০ কেন্দ্রের মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল ছিলো থোয়াইনু অং চৌধুরীর অনুকুলে।

অবিভক্ত ‘লামা’ গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর টানা ৭ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রয়াত ম্রাথোয়াই অং চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান থোয়াইনু অং চৌধুরী।

পারিবারিক, সামাজিক যোগ্যতার সকল সূচকে এগিয়ে থাকা শান্ত, ভদ্র ও মিতভাষী একজন মানুষ, ‘থোয়াইনু অং চৌধুরী’।

লামাবাসী তথা দক্ষিণ বান্দরবানের মানুষের দাবি; থোয়াইনু অং চৌধুরীকে বান্দরবান জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান করে ঘরোয়ানা নেতৃত্বের অবসান, একই সাথে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে লামা-আলীকদম, নাইক্ষংছড়ি ও থানচিবাসীকে বৈষম্যমুক্ত করা হউক।