বান্দরবান সদর ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পরিবেশ বিদ্ধেষী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট


admin প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২, ২০২৫, ৯:০৫ অপরাহ্ন /
বান্দরবান সদর ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পরিবেশ বিদ্ধেষী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট
প্রিন্ট করুন

লামার আলো ডেস্ক:-

পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক চলমান যৌথ অভিযানে পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে পাহাড় কাটা, ইটভাটা কার্ক্রম বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে তিন লাখ দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। (২রা নভেম্বর) রোববার বান্দরবান জেলা সদর ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পৃথকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এই সব জরিমানা আদায় করা হয় বলে পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান পার্বত্য জেলা কর্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান কার্যালয় কর্তৃক অদ্য ০২/১১/২০২৫ খ্রি: তারিখে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এদিন অবৈধভাবে পাহাড় কর্তনের দায়ে মোঃ মাহবুব আলম (২৬) পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-বাকী ছড়া মুখ, বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বতা জেলাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন, মোঃ আবু আবদুল্লাহ সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়।প্রসিকিউটর ছিলেন,বান্দরবান জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর এর উপপরিদর্শক মোঃ নুর উদ্দিন। একই অপরাধেমোঃ ইয়াছিন (৩২) পিতা-লেদু মিয়া সাং- বাজার এলাকা, বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এতে নেতৃত্ব দেন, মারুফা সুলতানা খান হীরামনি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বান্দরবান সদর। প্রসিকিউটর ছিলেন,বান্দরবান জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর এর উপপরিদর্শক মোঃ নুর উদ্দিন। এফডি আর ইটভাটা সোনাইছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়িকে, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নেতৃত্ব দেন,ইসমাত জাহান ইতু সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা। প্রসিকিউটর ছিলেন, মোঃ রেজাউল করিম, সহকারী পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান। M/S ASB Bricks সোনাইছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ি বান্দরবান পার্বত্য জেলাকে ফসলি জমির ক্ষতিসাধনের কারনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, ইসমাত জাহান ইতু সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা। প্রসিকিউটর ছিলেন মোঃ রেজাউল করিম সহকারী পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান। এসময় নাইক্ষংছড়ি উপজেলায় আরো ৫ টি ইটভাটাকে সতর্ক করেন ভ্রাম্যমান আদালত।অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম পরিচালনা করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত) ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) এর বিভিন্ন ধারায় জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয়। একই দিন হায়দার আলী, ঘুমধুম, নাইক্ষ্যংছড়িকে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে এক লক্ষ আশি হাজার টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয় এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করেন, ইসমাত জাহান ইতু সহকারী কমিশনার (ভূমি)। এতেও প্রসিকিউটর ছিলেন মোঃ রেজাউল করিম, সহকারী পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান। পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কর্তৃক এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানানো হয়।