বঙ্গবন্ধু দেশ এবং মানুষ নিয়ে বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ নিয়ে ভাবতেন, এখনো ভাবছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


admin প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১০, ২০২৩, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন /
বঙ্গবন্ধু দেশ এবং মানুষ নিয়ে বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ নিয়ে ভাবতেন, এখনো ভাবছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রিন্ট করুন

লামার আলো ডেস্ক:-
দেশ গড়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু দর্শনের মূল কথা ছিল মানুষের মর্যাদা। আরও ভেঙে বললে, গরিব, দুঃখী, কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে, অন্য বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা দিয়ে বিদগ্ধ সমাজ তথা দেশকে পুনর্গঠন করে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন ছিলো।জাতির জনকের সেই স্বপ্ন পুরণে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। ছিন্ন মুল, ভূমিহীন মানুষের জন্য জমি ও স্বপ্নের বাড়ি, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, সাধারণ মানুষের উন্নত জীবন গড়তে নানা মুখী তাদের জীবনানুকুল পরিবেশ তৈরি করে দিয়ে চলছেন প্রধানমন্ত্রী।বাংলাদেশ ব্যাংক এর সাবেক গভর্ণর একজন অর্থনীতিবিদ বঙ্গবন্ধুর প্রাক্তন একান্ত সচিব তাঁর এক প্রবন্ধে লিখেছেন “আমি যেদিন তার একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পাই, প্রথম সাক্ষাতেই তিনি (বঙ্গবন্ধু) বলে দিয়েছিলেন- ‘লুঙ্গি পরা, খেটে খাওয়া মানুষগুলো আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে আটকাবি না। সুট-কোট পরা আমলারা তাদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়।” সাধারণ মনুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর এমন মহানুভবতা বিস্ময়কর বটে।মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর একজন মানুষও যাতে না খেয়ে মারা না যায়, সে জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। চীন, রাশিয়া, আলজেরিয়ার মতো দেশে যুদ্ধের পর অনেক মানুষ মারা গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু তার প্রশাসনিক দক্ষতা দিয়ে বাংলাদেশে এর পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেননি। সাবেক এই গভর্ণর তাঁর প্রবন্ধে আরো উল্লেখ করেছেন, ”দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সফর করেছি। দেখেছি, তিনি গিয়েই প্রথমে জিজ্ঞেস করতেন, সাধারণ মানুষ কেমন আছে। কোথাও খাদ্য সংকট আছে কি-না।স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষকের ওপর বাড়তি কোনো চাপ দিতে চাননি বঙ্গবন্ধু। দেশে ফিরেই প্রথমে তিনি কয়েক লাখ সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার করেছিলেন। খাদ্য উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিয়েছিলেন। কৃষক যাতে বিনামূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক পায়, সে জন্য নিজে তদারকি করতেন।”

আজ তাঁর কন্যা দেশের প্রধানমন্ত্রী সেই বাবার পদাঙ্ক অনুস্মরণ করে একই কাজগুলো করে যাচ্ছেন।
“বঙ্গবন্ধু স্বাধীনের পর প্রথম সুযোগেই তিনি গভীর ও অগভীর নলকূপ আমদানি করেছিলেন কৃষকের সেচ সুবিধার জন্য। এখনও যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কৃষকের জন্য ভর্তুকিতে জোর দিতে দেখি, এটা আসলে বঙ্গবন্ধুরই উত্তরাধিকার। বঙ্গবন্ধু জানতেন, যে কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে কালোবাজারি বড় সংকট হয়ে দাঁড়ায়। সে জন্য প্রথমেই গঠন করেছিলেন টিসিবি। এর মাধ্যমে চাল থেকে কেরোসিন পর্যন্ত আমদানি করা হতো। কালোবাজারির সুযোগ যাতে না থাকে। উপরন্তু তিনি গঠন করেছিলেন ‘কসকো’ বা কনজ্যুমার সারপ্লাস করপোরেশন। এখন হয়তো অনেকে এর নামও জানেন না। টিসিবি আমদানি করত আর কসকো সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে ন্যায্য দামে বিক্রির ব্যবস্থা করত।” বঙ্গবন্ধু কন্যা জাতিরজনকের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সাধারণ মানুষের জীবন অনুকুল ব্যবস্থায় জোর দিয়ে চলেছেন। “কেবল সাধারণ রেশনিং নয়, মডিফায়েড রেশনিংও চালু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু।”আংশিক তথ্য অবলম্বনে:-“অর্থনীতিবিদ; সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর প্রাক্তন একান্ত সচিব”