
লামার আলো ডেস্ক:-লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে জোড়া তালি দিয়ে চলছিল। সাপ্তাখানেক ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে রোগী ও স্বজনেরা। এই অবস্থায় জরুরি চিকিৎসার জন্য বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে হচ্ছে রোগীদের। এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট হয়ে সেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি জানেন বলে দাবি করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। স্থানীয়দের অভিযোগ ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে দু’টি অ্যাম্বুলেন্স থাকার কথা, তবে এখন ব্যবহার উপযোগী একটিও নেই। জনবহুল এই উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী চকরিয়ার বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন ও আলীকদমের অনেক রোগী সেবা নিতে আসে লামা হসপিটালে। অভিযোগ রয়েছে, বান্দরবান জেলা পরিষদের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার ঘাটতির ফলে জীবন ঘনিষ্ট এই প্রতিষ্ঠানটি নানান সংকটে নিমজ্জিত। ডাক্তার, নার্স, কর্মচারী ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংকটে পতিত হসপিটালটি নিজেই রুগ্নদশায় কাতরাচ্ছে। জানাযায়, হাসপাতালের গ্যারেজে আগে থেকেই আরো একটি অ্যাম্বুলেন্স বছরের পর বছর নষ্ট হয়ে পড়েছিলো। এগুলো মেরামত করে কাজে লাগানোর বিষয়েও উদাসীন (জেলা পরিষদ) তদারকি কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের দুটি অ্যাম্বুলেন্স ছিলো। এর মধ্যে একটি অনেক আগেই নষ্ট হয়ে যায়। এখন আর সেটির অস্তিত্ব গ্যরেজেও নেই। আরেকটি জোড়া তালি দিয়ে কিছুদিন চলার পর, দুটি চাকা নষ্ট হয়ে সাপ্তাহ আগে বিকল হয়েগেছে । অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট হয়ে সেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি জানেন বলে দাবি করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভন দত্ত।দুইজন মেডিকেল অফিসার ড: ফরহাদ ও ডা: সোলাইমান, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার তিনজন। এর মধ্যে এক পুরুষ, বাকি ২ জন নারী।হসপিটাল প্রশাসক ডা. শুভন দত্ত বলেন, এম্বুলেন্স নষ্ট ও জনবল সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :