
লামার ডেস্ক:-
বান্দরবানের লামায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সায়দা আক্তার মিলি ফাঁস খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বড় নুনার বিল গ্রামে নিজ বাসায় ফাঁস দিয়েছে পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে। আত্মহননকারী সায়দা আক্তার মিলির বাবা আবুল কালাম একজন ব্যবসায়ী, মা পাপিয়া ছিদ্দিকা রুপনা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা। জানাযায়, সকাল ১০টার দিকে ছোট ভাইকে নাস্তার জন্য দোকানে পাঠায় মিলি। ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে ভাই নাস্তা নিয়ে ফিরে গিয়ে দেখতে পায় ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পাওয়ায়, ছোট ভাই জিসান দরজার ফাঁক দিয়ে বোনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার করে দরজা ভেঙ্গে ফাঁস খুলে লামা হসপিটালে নিয়ে গেলে, ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়না তদন্তের জন্য বান্দরবানে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত: কিছুদিন আগে একই এলাকার একই বিভাগে কর্মরত মেঘলা নামের আরেকজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছ স্বামীর বাড়িতে। সায়দা আক্তার মিলি এবং মেঘলা, এই দুই জনই নারী। তাদের আত্মহননের পেছনে কি কারণ থাকতে পারে; এমন প্রশ্নের উত্তরে জানাযায়, দাম্পত্য কলহের জের। মিলির বাবা আবুল কালাম জানান, তার মেয়ে স্বামী কর্তৃক মানসিকভাবে পীড়িত। জানাযায়, মিলির স্বামী পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী। বছর খানেক হয় তাদের বিয়ে হয়েছে তবে তাদের সংসারে সন্তানাদি আসেনি। বিয়ের পর থেকে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিলো বলে জানাগেছে। মিলির বাবা এ ব্যপারে আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানান।
আপনার মতামত লিখুন :