লামায় অমর একুশের নানান আয়োজন


admin প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২৫, ৮:০৩ অপরাহ্ন /
লামায় অমর একুশের নানান আয়োজন
প্রিন্ট করুন

লামা(বান্দরবান)সংবাদদাতা:

লামায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’২৫ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন। শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা কমপ্লেক্স হলরুমে নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন এর সভাপতিত্বে, আলোচনায় বক্তারা বলেন, একুশের চতেণা বুকে ধরণ করতে হবে। ‘একমাত্র মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষ তার মনের ভাবকে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারে। আমাদের মাতৃভাষা বাঙলার জন্য ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বীর বাঙালি বিশ্ব ইতিহাসে আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাই এ দিনটিকে বিশ্ববাসী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।বাঙালি জাতির সংগ্রামমুখর ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন অত্যুজ্জ্বল এক গৌরবময় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের এ ভূখণ্ডে ঘটে যাওয়া এ আন্দোলনের শোকাবহ পরিণতির কথা আমরা বছরের এ বিশেষ দিনে স্মরণ করি। নিঃসন্দেহে বলা যায়-বাঙালির জাতীয় চেতনা সুসংহত করা, বাঙালি সংস্কৃতির স্বকীয়তা শনাক্ত করা, সর্বোপরি বাঙালির আত্মপরিচয় অনুসন্ধানে কৌতূহলী করে তোলা-এসবই একুশের কাছ থেকে পাওয়া। এমনকি এ বিষয়েও কোনো ধরনের বিতর্কের অবকাশ নেই যে, বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ যে অর্জন মহান স্বাধীনতা, তার ভিত্তিমূল প্রোথিত ছিল এ একুশের চেতনার মধ্যেই। একুশে ফেব্রুয়ারি প্রত্যেক বাঙালির জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির গৌরব ও বেদনার ইতিহাস। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় তরুণ সমাজকে জীবন দিতে হয়েছিল বলে দিনটি বেদনায় নীল। পক্ষান্তরে ভাষা আন্দোলনের পথে বাঙালি তার স্বাধিকার অর্জনের সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়েছে বলে এ দিনটি জাতীয় জীবনে একান্ত গৌরবের। আইসিটি অফিসার সুব্রত দাশ এর উপস্থাপনায়-অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য দেন, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদাত হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আশ্রাফুজ্জামান, সাবেক লামা পৌর মেয়র বিএনপি নেতা আমির হোসেন,জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ বান্দরবান জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ফারুক আহমেদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার দীলিপ কান্তি দাস, বিএনপি নেতা এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, লামা প্রেসক্লাব সেক্রেটারী মোঃ কামরুজ্জামান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতা মোঃ শরীফ ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতা- পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ লামা উপজেলা শাখা সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম। আলোচনা শেষে একুশের সাংস্কতিক অনুষ্ঠান মালায় বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেয়া কচিকাঁচাদের হাতে পুরস্কার তোলে দেন অতিথিরা। এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে লামা কেন্দ্রীয় শহিদ মিণারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, উপজেলা প্রশাসন, লামা পৌরসভা, থানা, ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনগুলো পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।