ব্যারিস্টার ফুয়াদ আর্মি নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে পিসিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন


admin প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১০, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ন /
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আর্মি নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে পিসিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন
প্রিন্ট করুন

লামার আলো ডেস্ক:

সেনাবাহিনীকে নিয়ে কটুক্তি- এবি পার্টির নেতা ব্যারিস্টার ফুয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
ক্যান্টনমেন্ট দখল করার হুমকি ব্যারিস্টার ফুয়াদের বালখিল্যতার প্রতিবাদে বান্দরবানে আয়োজিত বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল)সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মোঃ মজিবর রহমান।
‘আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি’র সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে, সেনাবাহিনীর সদস্যদের চাকর-বাকর বলা ও ক্যান্টনমেন্ট দখল করার হুমকির প্রতিবাদে বান্দরবানে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ নেতারা তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সকাল ১০ টায় বান্দরবান প্রেসক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ
সম্মেলনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্যে দেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ বান্দরবান জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা মোঃ আবুল কালাম, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দিন, নাগরিক পরিষদ বান্দরবান পৌর শাখার সভাপতি শামসুল হক শামু, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবছার, যুব পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন।
সম্মেলনে কাজী মোঃ মজিবর রহমান বলেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ও ক্যান্টনমেন্ট দখল করার হুমকি রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ। শুধু সেনাবাহিনী বলে নয়, যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কথা বলার সময়েও ন্যূনতম সৌজন্যতা বজায় রাখা উচিত। সুতরাং ক্যান্টনমেন্ট দখল এর মত ভয়ানক দুঃসাহস ও সেনাবাহিনীকে নিয়ে এই কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
উল্ল্যেখ্য, গত ২৪ মার্চ এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সেনাবাহিনীর সদস্যদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের সাথে চাকর-বাকর সম্বোধন করেন এবং ক্যান্টনমেন্ট দখল করার হুমকি দেন! যা নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ তার অবস্থান থেকে এই ধরণ উন্মাদনাপূর্ণ বক্তব্য থেকে জাতি কি শিখতে পারে(!)। সুতরাং একটি জাতির দেশ রক্ষা বাহিনীকে নিয়ে এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাষ্য বক্তৃতা দেশ দ্রোহিতা বলে দাবি করে বক্তারা এর বিচার দাবি করেন।