
লামার আলো ডেস্ক:-
“শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” ইত্যাদি স্লোগানে রাজ পথের লড়াকু সৈনিক তারা। এরাই একদিন এই সমাজের হাল ধরবে। তাইতো প্রতিটি ছাত্রলীগ কর্মি শিক্ষা ও সাংগঠনিক আদর্শে বলিয়ান পার্বত্য বীরের নৈতিকতার অনুসারী। এলাকায় দুর্যোগ দুর্বিপাকে দুর্গতদের পাশে ঠাঁই দাড়িয়ে থেকে দু:খ কষ্ট ভাগ করে নেয়ার ধৈর্য্য শিক্ষা ছাত্রলীগের নীতি আদর্শের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। তারা গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার সমুন্নত রাখতে যেমন আন্দোলন সংগ্রামে রোদ্ররুপ ধারণ করতে পারেন, তেমনি কোমলে কঠোরতার মাঝে সেবায় বিলিয়ে দিতে পারে নিজেদেরকে। এমন একটি চমৎকার আদর্শিক জায়গা থেকে লামা উপজেলা, পৌর, কলেজ ছাত্রলীগ চলতি বছরও পবিত্র রমজানে মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে অসহায়-দুঃস্থদের মাঝে রান্না করা খাবার (ইফতার) বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে লামা ছাত্রলীগ।সাবেক ছাত্রলীগ নেতা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সহযোগিতায় তাঁর প্রতিনিধি প্রদীপ কান্তি দাশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইফতার বিতরণ কর্মসূচির সপ্তম দিনে লামা পৌর শহরে অসহায়-দুঃস্থ, ভাসমান মানুষ, হকার ও ভ্যান রিক্সা চালকদের মাঝে ইফতারি বিতরণ করতে দেখা যায়।লামা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো: শাহিন, বর্তমান সভাপতি-সম্পাদক সাদ্দাম, সুমন জানায়, “মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নির্দেশে সাবেক ছাত্র নেতা প্রদীপ কান্তির সার্বিক তত্বাবধানে এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।” এ ব্যপারে প্রদীপ কান্তি দাশ জানান, ” মাননীয় মন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় করোনা মোকাবেলা সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত মাঠে কাজ করে যাচ্ছে ছাত্রলীগ। তিনি আরো জানান, যখন সারা দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় লকডাউন চলছিল, তখনো ছাত্রলীগ মানুষের পাশে ছিলো। এই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনায়, সাবেক ছাত্রনেতা লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল ও মেয়র মো: জহিরুল ইসলামের সহযোগিতায় এই কার্যক্রম চলমান।সাবেক ছাত্র নেতা লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল ও মেয়র মো: জহিরুল ইসলাম জানান, “মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র নির্দেশে রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ চলছে। তারা আরো বলেন, “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গৌরবের রাজনীতি করেন। ছাত্রলীগ নেতা কর্মিরা আদর্শিকভাবে সমাজ ও মানব প্রেমি”। ছাত্রলীগের এমন মহতি কর্মগুলো সাধারণ মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়, তাদের সোনালী অতীত ঐতিহ্য ও ভবিষ্যতে সৌহার্দপূর্ণ, কল্যাণকর রাজনীতির কথা।
আপনার মতামত লিখুন :