লামার আলো ডেস্ক:-
সমাজের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি নমনীয়তা, আদর্শ যার বীরত্ব। সমাজের প্রয়োজন অনুধাবন করা যাঁর বাহাদুরি; তিঁনিই বীর বাহাদুর। নামের সাথে কাজের এক চমৎকার সমন্বয়।ইতোপূর্বেকার একটি ইফতারের আয়োজন। সেখানে কে কোথায় বসা আছে বা ছিল, সেটা বড় বিষয় নয়। উলামায়ে কেরামদের সম্মানে এক ইফতার আয়োজনে রোজদারদের খেদমতে তিঁনি বীর বাহাদুর নিজেই নিয়োজিত(!)।বর্তমান বাস্তবতায় বিষয়টি বিস্ময়কর। কিন্তু এমনটা বীর বাহাদুরের জন্য অতিসাধারণ কর্ম। কখনো উনার কাছে গেলে তিঁনি নামাজের সময় হলে বলে দেয় "নামাজ পড়বেন না, সময়তো হলো"।আমার মনে পড়ে মন্ত্রীর ভেলী রোডের বাসভবনে (পুরাতন) আমি দেখা করতে গিয়েছিলাম, যদ্দুর মনে পড়ে সময়টা ছিলো যোহরের ওয়াক্ত। তিঁনি আমাকে হাত দিয়ে নীচে একটি মসজিদ দেখিয়ে দিয়ে বললেন, "এ মসজিদটি আগন্তক মুসলমানদের জন্য আমি করে দিয়েছি।"এখানে তাঁর কাছে থেকে শিক্ষণীয় বিষয় এটা যে, একজন জাতীয় নেতার অন্যের প্রতি কর্বত্য পরায়নতা, মমত্ববোধ, নমনীয়তার সীমাহীনতা কত হতে পারে।আমরা সোস্যাল মিডিয়ায় দেখি কোনো নেতা মসজিদে প্রবেশ করে মুসল্লিদের লাথি মেরে সরিয়ে দিয়ে নিজের জায়গা করে নেন(!)।এমন বাস্তবতায় আমাদের এই জাতীয় নেতা, আমাদের পর্বতের নেতা নিজ ধর্মের প্রতি অবিচল থেকে অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি দেখিয়ে যাচ্ছেন পরম আদর। এই অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে, মুসলিম রোজাদারদের তৃষ্ণা মিটাতে শরবতের গ্লাস নিজে এগিয়ে দিচ্ছেন বীর বাহাদুর।রাজকীয় অহঙ্কার নয়; এটা অবশ্যই একজন বীরের বাহাদুরি, নয়তোবা কি। এজন্যই তিঁনি ঘুরে ফিরে তাঁর যোগ্য স্থানে ঠাঁই করে নিতে সক্ষম হচ্ছেন বারবার।বীরের এই বাহাদুরি, তার এমন মহানুভবতাকে স্যালুট জানাই। তাঁর সুস্থ্যতা, এমন দায়িত্বশীল, অভিভাবকত্ব ও নেতৃত্বের দীর্ঘায়ু ও ধারাবাহিকতা কামনা করি।